বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকরের দাবিতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের আহ্বানে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবির পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টার নবম পে-স্কেল সংক্রান্ত বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও জানান বক্তারা। প্রতিবাদ সভা শেষে কর্মচারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
প্রতিবাদ সভায় চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু সরকারে যারা আমাদের এই ন্যায্য দাবির গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারছেন না, আমরা মনে করি তারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর পে-স্কেল সংশোধনের কথা থাকলেও গত ১১ বছরে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিচ্ছে না। যদি অতি দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে আমরা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হব।’
উল্লেখ্য, প্রায় এক দশক আগে জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। এতে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সব স্তরেই বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল। তবে সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান মন্তব্য করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না। তার এই বক্তব্যের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সরকারি কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের আহ্বানে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবির পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টার নবম পে-স্কেল সংক্রান্ত বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও জানান বক্তারা। প্রতিবাদ সভা শেষে কর্মচারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
প্রতিবাদ সভায় চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু সরকারে যারা আমাদের এই ন্যায্য দাবির গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারছেন না, আমরা মনে করি তারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর পে-স্কেল সংশোধনের কথা থাকলেও গত ১১ বছরে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিচ্ছে না। যদি অতি দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে আমরা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হব।’
উল্লেখ্য, প্রায় এক দশক আগে জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। এতে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সব স্তরেই বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল। তবে সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান মন্তব্য করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না। তার এই বক্তব্যের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সরকারি কর্মচারীরা।
শিক্ষা ডেস্ক